1. admin@khabormagura.com : Ripon1997 :
       
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মাগুরা কারাগারের কয়েদির ঢাকা মেডিকেলে মৃত্যু মহম্মদপুরে ‘ট্রান্সফরমার চুরি’ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা: হিটুর মৃত্যুদণ্ড বহাল, দ্রুত কার্যকরের দাবি মায়ের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল আলোচিত শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় আজ পূর্ণিমার রাতে কুপি বাতিতে ফিরল পুঁথি পাঠের আসর মাগুরায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার ভ্যানচালককে দিয়ে বিদ্যুৎ লাইন মেরামত, খুঁটিতে উঠে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু মাগুরায় চুরি মামলার রহস্য উদঘাটন, দুই আসামি গ্রেপ্তার সাত বছর পেরিয়ে গেলেও মাগুরা মেডিকেল কলেজের নেই নিজস্ব ক্যাম্পাস

বঙ্গবন্ধুর ৫১তম শাহাদতবার্ষিকী আজ

  • প্রকাশের সময়ঃ শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ২৩ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আজ ১৫ আগস্ট। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদতবার্ষিকী। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরে সেনাবাহিনীর একদল কর্মকর্তা ও সৈনিক ধানমন্ডির বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। সেই দিন ঘাতকের গুলি থেকে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের ছয় বছরের শিশু থেকে শুরু করে অন্তঃসত্ত্বা নারীও রেহাই পাননি। ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ হারিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেলসহ বঙ্গবন্ধুর পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল।

এ জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর অনুজ শেখ নাসের, ভগিনীপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত এবং তার ছেলে আরিফ ও সুকতাবাবু, মেয়ে বেবি, বঙ্গবন্ধুর ভাগিনা শেখ ফজলুল হক মণি, তার  অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি এবং আবদুল নাঈম খান রিন্টু ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও ঘনিষ্ঠজন। এ ছাড়া, বঙ্গবন্ধু ভবনে পুলিশের বিশেষ শাখার সাব-ইন্সপেক্টর সিদ্দিকুর রহমান ও ভবনের নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল জামিলকেও গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়। এ সময় বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে রক্ষা পান।

১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসন অবসানের পর পূর্ব পাকিস্তানে ছাত্রলীগ গঠনের মাধ্যমে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় আসেন তিনি। এরপর ভাষার ভাষা আন্দোলন, চুয়ান্নর যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন ও ছয় দফা প্রণয়নে ভূমিকা রেখে এবং ১৯৬৮ সালে তথাকথিত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি হিসেবে শেখ মুজিব বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা হয়ে ওঠেন।

১৯৬৯-এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে কারামুক্ত হন শেখ মুজিবুর রহমান। এরপর তাকে বঙ্গবন্ধু খেতাবে ভূষিত করে ছাত্র-জনতা। ১৯৭১ সালের উত্তাল মার্চে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান) স্বাধীনতার ডাক দেন তিনি। তার নেতৃত্বে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশের। আর স্বাধীনতার চার বছর মাথায় নির্মমভাবে প্রাণ হারাতে হয় বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের। বঙ্গবন্ধুকে জন্মস্থান গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় দাফন করা হলেও পরিবারের অন্য সদস্যদের ঢাকার বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়।

শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© All rights reserved © 2026 Khabor Magura
Designed By Barishal Host